শনিবার, ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

নষ্ট চালের বস্তা নিয়েও চালবাজি

news-image

জেলা প্রতিনিধি : নষ্ট বস্তা গোডাউনে দিয়ে সেটিকে ভালো দেখিয়ে সরকারি টাকা আত্মসাৎ করে আসছে একটি চক্র। খাদ্য বিভাগের অনেক অসাধু কর্মকর্তা জড়িত থাকায় চুপিসারে চালানো হচ্ছে এসব কার্যক্রম। গত ১৩ সেপ্টেম্বর নীলফামারীতে ৩০ কেজি ধারণক্ষমতার ১ লাখ পিস নষ্ট বস্তা এলে তা ফেরত পাঠানো হয়। এনিয়ে খাদ্য বিভাগে তোলপাড় শুরু হয়।

আঞ্চলিক খাদ্য বিভাগ রংপুরের স্মারক নং ১৯২০ তাং ০৮/০৯/২০২০ মোতাবেক নীলফামারী সদর এলএসডিতে ১ লাখ পিস ৩০ কেজি ধারণক্ষমতার খালি বস্তা চলাচলের সূচি জারি করে। যার প্রোগ্রাম নং-২১/ডিআরটিসি। উক্ত চলাচল সূচির আওতায় নীলফামারী সদর এলএসডিতে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ৪টি খালি বস্তার ট্রাক প্রবেশ করে। নীলফামারী জেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক নাজমুল হকসহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বস্তাগুলো যাচাইকালে চরম ত্রুটিপূর্ণ দেখা যায়।

বস্তাগুলো বিভিন্ন এলএসডিতে ব্যবহৃত। বস্তাগুলো ২০১৫/১৬ সালের, ছেঁড়াফাটা ও সেলাই করা। কিছু বস্তায় ৫/৬ বছর আগের মহিলা বিষয়ক দফতরের বিভিন্ন খাতে ব্যবহৃত ও বিলি বিতরণের স্টেনসিল ব্যবহার করা হয়েছে। বস্তাগুলো উল্টানো ও ইস্ত্রি করা। বস্তাগুলো সরকারি বিনির্দেশ সম্মত না হওয়ায় নীলফামারী সদর খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা শাহ মোহাম্মদ শাহেদুর রহমান ওই দিনই মহাপরিচালক বরাবর অনুলিপি দিয়ে ব্যবহার অযোগ্য বস্তাগুলো কুড়িগ্রাম সদর এলএসডিতে ফেরত পাঠিয়ে দেন।

জানা যায়, কুড়িগ্রাম সদর এলএসডিতে টেন্ডারের মাধ্যমে ৭ লাখ বস্তা প্রতি পিস ৩৫/৪০ টাকায় কেনা হয়। কোম্পানিগুলো বিভিন্ন খাতের ব্যবহৃত বস্তা খোলা বাজার থেকে ৮/১০ টাকা দরে কিনে বস্তা উল্টিয়ে স্টেনসিল ব্যবহার ও ইস্ত্রি করে তা পুনরায় নতুন বস্তা দেখিয়ে চালিয়ে দিচ্ছে। কুড়িগ্রাম সদর গুদাম কর্মকর্তা, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক রংপুরের যোগসাজসে কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে নতুন বস্তার পরিবর্তে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে পুরাতন ছেঁড়াফাটা এসব বস্তা গ্রহণ করা হয়।

গত ২৬ আগস্ট কুড়িগ্রাম জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মিজানুর রহমানের আদেশ সূত্রে জানা যায়, কুড়িগ্রাম সদর এলএসডিতে এসএফ-২, এফএস-৫ নং গুদামে ৫০ কেজি ও ৩০ কেজির পুরাতন ছেঁড়াফাটা খালি বস্তা পাওয়ায় তিনি ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন। অনেকে ধারণা করছেন সেখানকার নষ্ট বস্তাগুলো নীলফামারীতে পাঠানো হয়েছিল।

তবে কুড়িগ্রাম জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মিজানুর রহমান বলেন, নীলফামারীতে কোনো খারাপ বস্তা দেয়া হয়নি। খাদ্য বিভাগের দুটি গ্রুপের দ্বন্দ্বের কারণে বস্তাগুলো ফেরত পাঠানো হয়েছে।

রংপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুস সালাম বলেন, কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে বস্তাগুলো পরিদর্শন করেছি সেখানে নিম্ন মানের বস্তা ছিল না।

১ লাখ পিস বস্তা ফেরত পাঠানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। খালি বস্তাগুলো ঢাকা থেকে পাঠানো হয়েছিল সেখানে আমার কিছু করার নেই।

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরের কৃষ্ণনগরে আবারো খুন!

ঐশ্বরিয়া ফিরবেন ‘নটি বিনোদিনী’ হয়ে

ক্ষুধার জ্বালা কমাতে বিশ্বের ধনীদের সাহায্য কামনা

সরাইলে বড়শি দিয়ে কাতল ধরে দুই লাখ টাকা পুরস্কার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

বিয়ে করে কানাডায় যাওয়ার আশায় ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা গচ্চা

পেঁয়াজের বাজারে নেই ক্রেতা

করোনা শনাক্তে নতুন পরীক্ষা পদ্ধতি, ৯০ মিনিটে ফল মিলবে

পেঁয়াজ আমদানিতে ১০ শতাংশ ভর্তুকি চান ব্যবসায়ীরা

আল্লামা শফী ইসলামী শিক্ষার প্রচার-প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন : প্রধানমন্ত্রী

হাটহাজারীতে শনিবার দুপুর ২টায় আল্লামা শফীর জানাজা

আল্লামা শফী সারাজীবন ইসলামি সভ্যতা বিকাশে কাজ করেছেন : আ’লীগ