সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২০ ইং ২৬শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শেষ মুহূর্তে ঈদের কেনাকাটায় ভিড় বাড়ছে

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাত পোহালেই মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎসব ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। তাই করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যেও শেষ মুহূর্তের কেনাকাটা করতে শপিং মল, মার্কেট ও অস্থায়ী দোকানগুলোতে ভিড় করছেন রাজধানীবাসী, মানছেন না সামাজিক দূরত্ব। পাঞ্জাবি, টি-শার্ট, প্যান্ট, ফতোয়া, থ্রি-পিস, জুতা, কসমেটিকস, থালা বাসন কিনতে ভিড় জমাচ্ছেন মার্কেটে।

ইতোমধ্যে পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে ঢাকা ছেড়েছেন অনেকেই। বিক্রেতারা বলছেন, আশানুরূপ বিক্রি নেই। তবে ঈদের আগের দিন বলে কিছু লোক আসছে। যারা মূলত ঢাকায় ঈদ করবেন এখন তারাই কেনাকাটা করতে আসছেন।

শুক্রবার নিউ মার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড, গুলিস্তান, পল্টন, শান্তিরনগর, মৌচাক ও পল্টনসহ এলাকার বিভিন্ন শপিংমল ও মার্কেটে ঘুরে দেখা যায়, সবখানে ক্রেতাদের আনাগোনা। ফলে করোনাভাইরাসে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে বারবার সতর্ক করা হলেও মার্কেটে ছুটে যাওয়া মানুষগুলো সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি খুব একটা মানছেন না। কেউ কেউ ছোট শিশুদের নিয়ে ভিড় ঠেলে মার্কেটে ঢুকছেন। এভাবে ঝুঁকি নিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মার্কেটটিতে মানুষ ছুটে আসায় উদ্বেগ প্রকাশ করছেন আশপাশের বাসিন্দারা।

শুক্রবার বিকালে রাজধানীর গুলিস্তান এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, নেই সেখানে কোন সামাজিক দূরত্ব। রাস্তার দাঁড়িয়ে একসাথে অনেক লোক ভিড় করে কেনাকেটা করছেন ।

এদিকে নিউমার্কেটের দেখো যায়, নিউমার্কেট ও তার উল্টোদিকে গাউসিয়া ও চাঁদনি চক মার্কেট চলছে কেনাকাটা। সেখানেও ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

মোহাম্মদপুর থেকে আগাত এক ক্রেতা বলেন, ‘করোনার কারণে ঈদে কেনাকাটা করতে ভয় পাচ্ছি। কিন্তু ছোট্ট মেয়ের জন্য আসতে হয়েছে। ঈদ তো ছোটদেরই। তাই আসা।’

গাউসিয়া বৈশাখী ফ্যাশন হাউসের ম্যানেজার কবির হোসেন বলেন, বেচাকেনা খুব যে ভালো তা বলা যাবে না। তবে টুকটুক বিক্রি হচ্ছে। আমাদের চলার মতো কিছু রোজগার তো হচ্ছে।

প্রসাধনী বিক্রয় প্রতিষ্ঠান আলমাস এর ম্যানেজার জসিমুল হক জুবায়ের জানান, গত দুইদিন থেকে কিছু ক্রেতারা আসছেন। করোনার কারণে প্রায়ই ক্রেতা শূন্য ছিলো।

এদিকে প্রতিটি শপিংমল, মার্কেটে রয়েছে জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থা। রয়েছে পুলিশের অবস্থান। এছাড়াও রয়েছে মার্কেটগুলোর নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা। কেনাকাটা শেষে ঘরফেরত মানুষের জন্যও রাস্তায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকতে দেখা গেছে নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে।