বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২০ ইং ২২শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

নির্বাচন বিতর্কমুক্ত করতে চাই : কাদের

news-image

নিউজ ডেস্ক : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তাদের দল স্বচ্ছ ও ক্লিন ইমেজের প্রার্থী দিয়েছে। এমন দাবি বিএনপি করতে পারবে না। নির্বাচন হবে ভয়মুক্ত, স্বচ্ছ, অবাধ ও নিরপেক্ষ। বিতর্কমুক্ত নির্বাচন করতে চান তারা। তাদের প্রার্থীদের ইমেজ সংকট নেই। জয়ের ব্যাপারে তারা আশাবাদী।

সোমবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউর আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কৃষক লীগ আয়োজিত ‘কৃষকের স্বাস্থ্যসেবা’ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে দেড় শতাধিক কৃষককে বিনামূল্যে রক্ত, ডায়াবেটিস ও রক্তচাপ পরীক্ষা করে চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র ও ওষুধ দেওয়া হয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে আগামী ১৭ মার্চ পর্যন্ত ইউনিয়ন পর্যায়ে কৃষকদের স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ নীতিগতভাবে ইভিএমের পক্ষে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন যদি মনে করে ইভিএম রাখবে না- সেটা তাদের বিষয়। প্রধানমন্ত্রী পরিস্কারভাবে বলেছেন নির্বাচন নিরপেক্ষ হতে হবে। নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচন করবে। সরকার সব ধরনের সহযোগিতা করবে। ফল যাই হোক সরকারি দল মেনে নেবে। প্রশ্নবিদ্ধ ও বিতর্কিত নির্বাচন করতে চাই না। নির্বাচনী প্রচারে আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের ওপরও হামলা হয়েছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, বিএনপির সমস্যা হচ্ছে, তারা একটা নালিশ আর অভিযোগের দলে পরিণত হয়েছে। তারা নির্বাচনের ফল গণনার শেষ পর্যন্ত বলতে থাকে নির্বাচনে জালিয়াতি ও কারচুপি হয়েছে। পক্ষপাতের নির্বাচন হয়েছে। এসব অবান্তর অভিযোগ তারা সিলেট সিটি নির্বাচনেও করেছে। পরে দেখা গেল তারা জিতেছে। তাদের অভয় দিলেও বলবে, তারা নিজেরাই ভয়ের মধ্যে থাকে।

‘ভয়মুক্ত পরিবেশে ভোট হলে উত্তর ও দক্ষিণ সিটির দুই মেয়র প্রার্থীসহ বিএনপি সমর্থিত কাউন্সিলররা বিজয়ী হবেন’- বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, স্বপ্ন দেখুন, কোনো অসুবিধা নেই। নির্বাচন ভয়মুক্ত, স্বচ্ছ, অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে।

কৃষক লীগে বিতর্কিতদের স্থান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, অনেকে কৃষক লীগের ধারেকাছেও নেই, অথচ সংগঠনের পরিচয় দেয়। এটা যেন ভবিষ্যতে না হয়। কৃষকের কর্মক্ষেত্রে নেই- এমন ব্যক্তিদের কৃষক লীগের কমিটিতে যেন স্থান দেওয়া না হয়।

কৃষক লীগের সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, স্বাচিপের মহাসচিব ডা. এম এ আজিজ, কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম স্মৃতি প্রমুখ।