বৃহস্পতিবার, ২৩শে জানুয়ারি, ২০২০ ইং ১০ই মাঘ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ঘাড়ব্যথা যে কারণে

news-image

স্বাস্থ্য ডেস্ক : মেরুদণ্ডের ঘাড়ের অংশের নাম সার্ভাইক্যাল স্পাইন। এ সমস্যায় রোগী ঘাড়, কাঁধ, বাহু, হাত কিংবা শুধু হাতে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভূত হয়। এ সমস্যা পুরুষের তুলনায় নারীর বেশি হয়।

ব্যথার উল্লেখযোগ্য কারণ হলো- সার্ভাইক্যাল স্পন্ডাইলোসিস, সার্ভাইক্যাল স্পন্ডাইলাইটিস, সার্ভাইক্যাল স্পন্ডাইলিসথেসিস, সার্ভাইক্যাল রিবস, সার্ভাইক্যাল ক্যানেল স্টেনোসিস বা স্পাইনাল ক্যানাল সরু হওয়া, সার্ভাইক্যাল ডিক্স প্রলেপস বা হার্নিয়েশন ইত্যাদি। এতে হার্নিয়াটেড ডিস্ক নার্ভের ওপর চাপ প্রয়োগ করে, মাংসপেশি, হাড়, জোড়া, লিগামেন্ট, ডিস্ক ও স্নায়ুর রোগ, অস্বাভাবিক পজিশনে ঘুমানো, উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগ, হাড় ও তরুণাস্থির প্রদাহসহ ক্ষয়, হাড় নরম ও বাঁকা হওয়া ইত্যাদি ঘটনা ঘটে।

রোগটির উপসর্গ হলো- কাঁধ, বাহু, হাত ও আঙুলে অস্বাভাবিক অনুভূতি, ঘাড়ের মুভমেন্ট ও দাঁড়ানো অবস্থায় কাজ করলে ব্যথা বেড়ে যায়, ঘাড় নিচু করে ভারী কিছু তোলা বা অতিরিক্ত কাজের পর তীক্ষ্ণ ব্যথা, হাঁচি, কাশি দিলে বা সামনে ঝুঁকলে ব্যথা বেড়ে যায়, ব্যথা মাথার পেছন থেকে শুরু হয়ে মাথার সামনে আসতে পারে, শরীরে অসহ্য দুর্বলতা লাগে, ঘুমের বিঘ্ন ঘটে এবং কাজ করতে অক্ষমতা লাগে, শারীরিক ভারসাম্য হারায়, প্রস্রাব ও পায়খানার নিয়ন্ত্রণ নষ্ট হয়।

চিকিৎসা : চিকিৎসা নির্ভর করে কারণগুলোর ওপর। চিকিৎসার মূল লক্ষ্য হলো- ব্যথা ও অন্যান্য উপসর্গ নিরাময় করা এবং ঘাড়ের মুভমেন্ট স্বাভাবিক করা। এ জন্য করণীয় হলো- সামনের দিকে ঝুঁকে দীর্ঘক্ষণ কাজ না করা, মাথার ওপর বেশি ওজন না নেওয়া। বিশ্রাম নেওয়া। শক্ত বিছানায় ঘুমানো এবং চিকিৎসকের পরামর্শমতো চলা।

এ জাতীয় আরও খবর