শুক্রবার, ৬ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং ২১শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

এইচআইভির চরম ঝুকিঁতে রয়েছে হিলি স্থলবন্দর

news-image

রংপুর ব্যুরো : এইচ আইভির চরম ঝুকিঁতে রয়েছে হিলি স্থলবন্দর সহ আশপাশের এলাকার মানুষ। স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়াই হিলি স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশন দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ১ থেকে দেড় হাজার মানুষ ভারত বাংলাদেশে যাতায়াত করে থাকে। এদিকে ভারত থেকে পণ্য নিয়ে আসা ট্রাক ডাইভার ও হেলপাররা বন্দরের ভাসমান যৌনকর্মী ও হিজড়াদের সাথে অবাধে মিলামেশা করে। আর এ কারণে এইচআইভির চরম ঝুঁকিতে হিলি স্থলবন্দর মনে করছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা। তবে এই অভিশপ্ত জীবন থেকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে চায় এসব যৌনকর্মীরা।

এশিয়ার মধ্যে এইচ আইভি এইডস রোগীর সংখ্যার দিক দিয়ে ভারত রয়েছে প্রথম স্থানে। তাই ভারতের সাথে বাংলাদেশও রয়েছে ঝুঁকির মধ্যে। বাংলাদেশের দ্বিতীয় বাণিজ্যিক স্থলবন্দর হিলি। পাশাপাশি বন্দরে এলাকায় রয়েছে ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট। স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়ায় ব্যবসা-বাণিজ্য, আত্মীয়তা ও চিকিৎসার জন্য প্রতিদিন প্রায় এক থেকে দেড় হাজার মানুষ এই ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারত-বাংলাদেশে যাতায়াত করে থাকে। এদিকে ভারত থেকে পণ্য নিয়ে বন্দরে আসে প্রায় পাঁচ শতাধিক ট্রাক ডাইভার ও হেলপার। এ সময় এসব ট্রাক ডাইভার ও হেলপারদের পণ্য খালাস করতে ৮/১০ দিন পর্যন্ত সময় লেগে যায়। এই সময়ের মধ্যে তারা হিলি শহরে অবাদে চলাফেরা করে এবং বন্দরের আশপাশে থাকা ভাসমান যৌন কর্মী ও হিজড়াদের সাথে মেলামেশাও করে থাকে। অপরদিকে যৌন কর্মীরাও বেশি টাকার লোভে এ বন্দরে পণ্য নিয়ে আসা ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভার হেলপারদের সাথে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করছে মেলা মেশা। একটু খাদ্য ও নির্দিষ্ট থাকার জায়গা পেলে এই অভিশপ্ত জীবন থেকে স্বাবাভিক জীবনে ফিরে আসতে চায় এসব যৌন কর্মীরা।এখানে মেয়ে যৌন কর্মী ছাড়াও রয়েছে হিজড়া যৌন কর্মী। আবার একই সুই সিরিঞ্জ দিয়ে একাধিক ব্যক্তি ব্যবহার করে এই নেশার ইনজেকশন।

লাইট হাউজ কো-অডিনটের-মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, হিলি স্থলবন্দর এলাকায় এইচআইভি প্রিভেনশন এর উপর কাজ করছে লাইট হাউজ সহ মাত্র দুই-একটি বে-সরকারি এনজিও প্রতিষ্ঠান। পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা না থাকায় সবাইকে এইচআইভি পরীক্ষার আওয়তায় আনা যাচ্ছে না বলে জানালেন এই কর্মকর্তা।হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ শাকিল মাহমুদ বলেন, এসব পাসপোর্টধারী যাত্রী ও ভারতীয় ট্রাক ডাইভারদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা দরকার।