রবিবার, ৮ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং ২৩শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

যে নেতারা কোনোদিন পচবেন না

news-image

কমিউনিস্ট বা সাম্যবাদী নেতারা নিজেদের ভাবমূর্তি, এমনকি চেহারার বিষয়েও খুব সচেতন৷ তাই কয়েকজন নেতার চেহারা মৃত্যুর পরও যাতে অবিকৃত থাকে সেই ব্যবস্থা করা হয়েছে৷

চেয়ারম্যান মাও : গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রতিষ্ঠাতা মাও সেতুং ২০ শতকের খুব গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব৷ চীন পরাশক্তি হয়ে ওঠে তাঁর হাত ধরেই৷ তবে সাত কোটি মানুষের মৃত্যুর জন্যও দায়ী করা হয় তাঁকে৷ মাও ১৯৭৬ সালে মারা যান৷ মৃত্যুর পরও অবিকৃত আছে তাঁর চেহারা৷ বেইজিংয়ের এক রাজকীয় সমাধিতে ফর্মালডিহাইড দিয়ে সেভাবেই রাখা হয়েছে মৃতদেহ৷

কিম ইল সাং : উত্তর কোরিয়ার প্রথম নেতা কিম ইল সাং-কে ইতিহাস মনে রাখবে দুই কোরিয়ার যুদ্ধ শুরু করার জন্য৷ উত্তর কোরিয়ায় কমিউনিস্ট শাসন শুরু করেন তিনি৷ তবে তাতে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আসেনি৷ সোভিয়েট ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর ভয়াবহ দুর্ভিক্ষে বিপর্যস্ত হয় উত্তর কোরিয়া৷ ১৯৯৪ সালে ৮২ বছর বয়সে হার্ট অ্যাটাকে মারা যান কিম ইল সাং৷ ১০ দিন জাতীয় শোক পালনের পর কুমসুসান প্যালেস অব সান-এ মরদেহ সংরক্ষণ করা হয়৷

কিম জং ইল : মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে৷২০১১ সালে হার্ট অ্যাটাকে মারা যান তিনি৷ উত্তর কোরিয়ায় ‘চিরন্তন নেতা’ হিসেবে পরিচিতি পাওয়া এই নেতার মৃতদেহও অবিকল রাখা আছে কুমসুসান প্যালেস অব সান-এ৷

হো চি মিন : ভিয়েতনামের অবিসংবাদিত নেতা হো চি মিন-কে ইতিহাস মনে রাখবে খুব বড় দুটি কারণে৷ তার কারণেই ফরাসি শাসকেরা ভিয়েতনাম ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল৷ দক্ষিণ ভিয়েতনাম ও মার্কিন সেনাদের সঙ্গে যুদ্ধে উত্তর ভিয়েতনামকে নেতৃত্বও দিয়েছিলেন তিনি৷ যুদ্ধে জয় অবশ্য দেখে যেতে পারেননি, তার আগেই মৃত্যু হয় তাঁর৷

লেনিন : লেনিন ছিলেন সোভিয়েট ইউনিয়নের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা৷ অক্টোবর বিপ্লবের নেতৃত্বেও ছিলেন তিনি৷অনেক ইতিহাসবিদ লেনিনকেও কয়েক হাজার মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী মনে করেন৷১৯২৪ সালে মারা যান তিনি৷ মৃত্যুর পর মগজ বের করে নিয়ে তার দেহ মস্কোর রেড স্কয়ারে সংরক্ষণ করা হয়৷

 

dw.com